বিলকিস আক্তার: ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধ সময়ের সাথে প্রতিদিন। 

আমাদের গ্রামটা আজ সবচেয়ে বেশি নষ্ট হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণ। একটা স্বার্থবাদী শ্রেণি তরুণদের রাজনীতিতে টেনে নিচ্ছে—উন্নতির জন্য না, নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর জন্য।তরুণরা যখন এই পাতি নেতাদের অনুসরণ করে, তখন ধীরে ধীরে তারা নেশা, সহিংসতা আর ভুল পথে জড়িয়ে পড়ে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলোএই নষ্ট সংস্কৃতিকে অনেকেই স্বাভাবিক” বানিয়ে ফেলছে।তাদের বলা হয় কিছু হলে আমাকে ফোন দিবি।এই একটা কথাই তাদের মনে ভুয়া ক্ষমতার অনুভূতি দেয়। এরপর তারা যা খুশি তাই করতে শুরু করে। মারামারি, ঝগড়া, দখল এমনকি হত্যার মতো ঘটনাতেও তারা পিছপা হয় না।একটু খেয়াল করে দেখুন এই গ্রামের বড় বড় ঝগড়ার সাথে জড়িত প্রায় প্রতিটা যুবক কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত।এমন অবস্থা হয়েছে যে নিজের আপন ভাইয়ের চেয়ে রাজনৈতিক ভাইয়ের ছবি বেশি পোস্ট করা হয় এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার এখনই দরকার। প্রথমত, তরুণদের এই বিভ্রান্তিকর ও ক্ষতিকর রাজনীতি থেকে বের করে আনতে হবে।

আর যদি রাজনীতি করতেই হয় তাহলে এমন রাজনীতিতে আসা উচিত যেখানে নৈতিকতা, চরিত্র ও দায়িত্ববোধ আছে।আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যারা বাইরে থেকে ভালো ভালো কথা বলে, তাদের অনেকের ভেতরেই প্রতিহিংসা লুকিয়ে আছে। সুযোগ পেলেই আসল চেহারা বের হয়।গ্রামের কিছু মুরব্বিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন আছে অনেকেই বয়সে বড় হলেও দায়িত্বশীল ভূমিকা না নিয়ে উল্টো ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন।

ছোটদের শেখাচ্ছেন আমার অনেক পাওয়ার আছে।

এই ভুল বার্তাই তরুণদের আরও উসকে দিচ্ছে। তারা ভাবছে, ক্ষমতা মানেই যা খুশি তাই করা।

ফলাফল

 গ্রামের সুনাম নষ্ট হচ্ছে,তরুণদের জীবন ধ্বংস হচ্ছে,পরিবারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শেষে সবাই ঠিকই বুঝতে পারে, কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। এখন সময় এসেছে সত্যটা বলার,কারো বিপক্ষে যাওয়ার জন্য  নাবরং আমাদের গ্রামকে বাঁচানোর জন্য।লেখাটার যথেষ্ট যৌক্তিক করণ আছে। অবশ্যই চাইব গ্রামের যারা নেতৃত্বে আছেন, আসবেন এবং ছিলেন সবাইকে নিয়ে ক্রুটি বিচ্যুতি দূরে ঠেলে দিয়ে একটি সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থাপনা গ্রামবাসীকে উপহার দিবেন।একটি নির্দিষ্ট শ্রেনীর উপর ভিত্তি করে কখনই সুন্দর সমাজ তৈরি হওয়া সম্ভব না। পিজাহাতি একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম যার সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। 

আজ এবং আগামীর জন্য আধুনিক এই যুগে সভ্য এবং জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। 

আগামীর প্রজন্ম একটি সুন্দর এবং সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা চায়।