সালমান আহম্মদ: স্টাফ রিপোর্টার সময়ের সাথে প্রতিদিন। 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের অসংখ্য গ্রাহক চলতি জুলাই মাসে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। পূর্ববর্তী মাসগুলোর তুলনায় হঠাৎ করেই কয়েক গুণ বেশি বিল আসায় সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।কেন্দুয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মো. আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, তাঁর বাড়িতে দুটি বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। একটি তাঁর নিজের নামে এবং অন্যটি তাঁর বাবা মো. নুরুল ইসলামের নামে। আলমগীরের দাবি, তাঁর নিজের মিটারে সাধারণত সর্বোচ্চ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে সেই বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১,৮২০ টাকা হয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বাবা মো. নুরুল ইসলামের নামে থাকা দীর্ঘদিনের বিকল (নষ্ট) মিটারেও চলতি মাসে ৪৪১ টাকার বিল এসেছে। অথচ বিদ্যুৎ ব্যবহারে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এমন অভিযোগ শুধু আলমগীরের নয়। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার হাজারো গ্রাহক একই ধরনের অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল পাওয়ার অভিযোগ করছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগীরা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, বিল পুনঃযাচাই এবং গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।এদিকে, কেন্দুয়া উপজেলার সর্বস্তরের সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠন, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত এবং সাধারণ গ্রাহকদের ন্যায্য সেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।স্থানীয়দের মতে, অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের এ ধরনের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে গ্রাহকদের আস্থা ফিরবে এবং ভবিষ্যতে এমন হয়রানি কমে আসবে।