দেলোয়ার রহমান : সময়ের সাথে প্রতিদিন, উপজেলা প্রতিনিধি।
মদননেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নে টিসিবির ডিলার নিয়োগে সরকারি শর্ত লঙ্ঘন ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ বাছাইকৃত তিনজনের মধ্যে দুইজনের কেউই টিসিবির নির্ধারিত শর্তের বাহিরে।উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাস থেকে কাইটাইল ইউনিয়নে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য ডিলার নিয়োগে ১৬টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৩ জনের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ২ জনের বিরুদ্ধেই একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্তরা হলেন- বাড়রী বাজারের সারের ডিলার খালেকুজ্জামান হিরন এবং একই বাজারের গরুর খাবার ও ভূষি ব্যবসায়ী মনির হোসেন।সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী টিসিবির ডিলার হওয়ার প্রথম শর্ত হলো আবেদনকারীকে মুদি দোকানদার হতে হবে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বাছাইকৃত দুইজনের কেউই শর্তটি পূরণ করেন না।স্থানীয় সূত্র জানায়, খালেকুজ্জামান হিরন উপজেলা কৃষি অফিসের তালিকা অনুযায়ী কাইটাইল ইউনিয়নের সারের ডিলার। তিনি টিসিবির ডিলারশিপের জন্য ‘জিসান এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছেন বাড়রী বাজারের আশরাফুলের দোকানে। অথচ ওই স্থানে ‘জিসান এন্টারপ্রাইজ’ নামে কোনো মুদি দোকান ছিল না । বাজারের লোকজন ওই দোকানকে ‘কামাল এন্টারপ্রাইজ’ হিসেবে চিনে। ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স অনুযায়ী এর প্রোপ্রাইটর আশরাফুল ইসলাম।একইভাবে মনির হোসেনের ‘মায়ের দোয়া স্টোর’ নামের দোকানটি গরুর খাবার ও ভূষির দোকান হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়রা তাকে মুদি ব্যবসায়ী হিসেবে চেনেন না। অথচ তিনিও মুদি দোকানদার দাবি করে আবেদন করেছেন।এ বিষয়ে খালেকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি সরকারের সকল নিয়ম মেনে বৈধভাবে আবেদন করেছি। বাড়রী বাজারে আমার জিসানএন্টারপ্রাইজ’ নামে মুদি দোকান রয়েছে। মনির হোসেন বলেন, বাড়রী বাজারে ‘মায়ের দোয়া স্টোর’ নামে যে দোকানটি রয়েছে, এই দোকানে সব ধরনের মুদি মালামাল বিক্রি করি। এটি টিসিবির ডিলার নিয়োগের শর্তের মধ্যেই পড়ে।” অথচ সরজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গরুর খাবার খড়, ভুসি ছাড়া আর কিছুই বিক্রি করে না।উল্লেখ্য, নতুন ডিলার নিয়োগের পর কাইটাইল ইউনিয়নের ১৪৮২ জন টিসিবি কার্ডধারীর মাঝে পণ্য বিক্রি করা হবে
