শ্রীরামকৃষ্ণ রায়, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, সময়ের সাথে প্রতিদিন।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার মোল্লাপাড়া গ্রামে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর ধর্ষণের অভিযোগ এনে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন জেসমিন (পিতা: হানিফ আলী, থানা: খালিয়াজুরী, জেলা: নেত্রকোনা)। তার স্বামী মো. বেলাল হোসেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা তার কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এ টাকা বাবার কাছ থেকে এনে দিতে তাকে বারবার চাপ দেওয়া হয়। তিনি এতে রাজি না হলে তারস্বামী মো. বেলাল হোসেন, আজিবর এবং মোছা. বেলুয়া বেগম তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করেন এবং গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। জেসমিন জানান, তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হলে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে পথে সাদ্দাম হোসেন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হয়। ওই ব্যক্তি তাকে ভুরুঙ্গামারী হয়ে বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার
কথা বলে নিজের নানার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন জেসমিন। ভুক্তভোগীর ভাষ্য, তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত সাদ্দামকে আটক করেন। তবে পরদিন স্থানীয়ভাবে লোক দেখানো বিচার করে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জেসমিন বলেন, “আমি একজন
অসহায় মেয়ে। এখানে আমার বাবা-মা কেউ নেই। আমি আইনের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার চাই। বিচার না পেলে আমার এই জীবন রাখব না।” এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে কি না বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী
