শ্রীরামকৃষ্ণ রায় ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি সময়ের সাথে প্রতিদিন টিভি
কুড়িগ্রাম, ৬ জুন ২০২৬: ৪০ জন যাত্রীর জীবন বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারানো বাস হেলপার দুলাল মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এসিআই মটরস। কোম্পানির পক্ষ থেকে ইয়ামাহা রাইডারস ক্লাব বাংলাদেশ ও সিয়েট বাংলাদেশ নিহত দুলালের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।যেভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনা গত ২৯ মে রাতে ভূরুঙ্গামারী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় আহসান পরিবহনের একটি বাস। ধলেশ্বরী টোল প্লাজার কাছে পৌঁছালে হঠাৎ ব্রেক ফেল করে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। চালক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এই সংকটময় মুহূর্তে যাত্রীদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেন হেলপার দুলাল। তিনি চলন্ত বাস থেকে নেমে চাকার নিচে কাঠের গুঁড়ি ও ভারী বস্তু দিয়ে বাস থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বাসটি থামলেও দুলাল নিজে চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে তার এই চরম আত্মত্যাগে প্রাণে বেঁচে যান বাসের ৪৬ জন যাত্রী।সহায়তা প্রদান , শনিবার, ৬ জুন দুপুরে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে দুলালের বাড়িতে যান ইয়ামাহা মোটরসাইকেল বাংলাদেশের টেরিটরি অফিসার ইসতিয়াক আহমেদ, প্রোডাক্ট এক্সিকিউটিভ মেহেদী হাসান সজিব, কুড়িগ্রাম ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের অ্যাডমিন একরামুল হক, রংপুর ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাবের মডারেটর আহমেদ রাহাতসহ অন্যান্য সদস্যরা। তারা নিহত দুলালের স্ত্রী আফরোজা বেগম ও বড় ভাইয়ের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন।অসহায় পরিবার স্থানীয়দের ভাষ্য, দুলালের পরিবারটি অত্যন্ত অসচ্ছল। ট্রাকের সঙ্গে কাজ করেই চলতো দুই ভাইয়ের সংসার। স্বামীর মৃত্যুর পর চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন স্ত্রী আফরোজা বেগম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে আফরোজা বেগম বলেন, আমার স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চলতো, চিকিৎসাও হতো। প্রতি মাসে আমার প্রা
