নিউজ ডেক্স, সময়ের সাথে প্রতিদিন
নেত্রকোণা নেত্রকোণার মদনে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া আলোচিত মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক আমানুল্লাহ আমান সাগরকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সাত মাস পর শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে নেত্রকোণার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলামের আদালতে অভিযুক্ত সাগরকে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। র্যাব ১৪ এর একটি দল গত বুধবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার নথী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল কবীর রুবেলের দেওয়া তথ্যমতে, ঘটনার তারিখ: ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর।স্থান: মাদ্রাসার সংলগ্ন মসজিদের একটি কক্ষে মাদ্রাসা ছুটির পর ভুক্তভোগী শিশুটিকে মসজিদ পরিষ্কারের কথা বলে ডেকে নেন শিক্ষক সাগর। পরে মসজিদের বারান্দার একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর প্রাণনাশের ভয় ও সামাজিক লজ্জার কারণে শিশুটি দীর্ঘ সাত মাস বিষয়টি পরিবারের কাছে গোপন রাখে। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের সন্দেহ হয়। গত ১৮ এপ্রিল স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করালে জানা যায়, ওই শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদে সে বিস্তারিত খুলে বললে তার মা বাদী হয়ে মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার দ্রুত বিচার এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।"
