মো:নাজিম উদ্দিন নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি সময়ের সাথে প্রতিদিন
নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন মোঃ আবুল হোসেন তালুকদার। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে তিনি মাঠ পর্যায়ে প্রচারণা শুরু করেছেন এবং ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রচারপত্রে তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নেত্রকোনা পৌরবাসীসহ দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও “ঈদ মোবারক” জানান। একই সঙ্গে তিনি এই শুভক্ষণে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন এবং সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করেন। প্রচারপত্রে তাকে একজন সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ সংগঠক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
জানা যায়, মোঃ আবুল হোসেন তালুকদার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেত্রকোনা জেলার নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি জেলা মজলিসে শুরার সদস্য এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির নেত্রকোনা জেলার সাবেক সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই তিনি পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং উঠান বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা, চাহিদা ও প্রত্যাশা জানার চেষ্টা করছেন। বিশেষ করে নাগরিক সেবা, সড়ক উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে মোঃ আবুল হোসেন তালুকদার বলেন,
“আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবার সুযোগ দেন, তাহলে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নেত্রকোনা পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করব। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
এদিকে, তার প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহল, সাধারণ ভোটার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন নেত্রকোনা পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই বাড়ছে। এর ফলে নির্বাচনী মাঠ আরও জমজমাট হয়ে উঠছে এবং ভোটারদের আগ্রহও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের প্রচারণা, প্রতিশ্রুতি এবং জনসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার হচ্ছে, যা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।
