নিজস্ব প্রতিবেদক | এস.এম আব্দুর রাজ্জাক :
একজন আদর্শ শিক্ষকের কাছে পুরো সমাজই একটি পাঠশালা। শ্রেণিকক্ষের চার দেওয়ালে আলো ছড়ানোর পাশাপাশি যখন সেই শিক্ষক সমাজের বৃহত্তর কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার হয়। টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠিক এমনটাই ঘটছে বাশনিয়োগী গ্রামের কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও জননেতা মো. আশরাফ হোসেনকে ঘিরে।
আগামী ইউপি নির্বাচনে টাংগাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতার খবরে পুরো এলাকাজুড়ে বইছে এক নতুন উদ্দীপনা। দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এখন একজন শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁকেই ইউনিয়ন পরিষদের নেতৃত্বে দেখতে চাইছেন।
সেবার পারিবারিক ঐতিহ্য: জনসেবা মো. আশরাফ হোসেনের রক্তে মিশে আছে। তাঁর বাবা বীরতারা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার এবং এলাকার সমাজসেবক মরহুম আব্দুর কাদের মাস্টার। বাবার দেখানো পথ ধরেই তিনি মানবসেবার ব্রত নিয়ে দীর্ঘ কর্মজীবন পার করে চলেছেন। বাবার সেই সততা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার উজ্জ্বল উত্তরাধিকার বহন করছেন তিনি।
নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতা: শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবেই নয়, একজন সফল সংগঠক হিসেবেও মো. আশরাফ হোসেনের জুড়ি মেলা ভার। তিনি বর্তমানে সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দক্ষতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো—তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলা ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ বাংলাদেশ (কাল্ব)-এর ৫ বারের নির্বাচিত এবং বর্তমান সভাপতি। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।
রাজনৈতিক ত্যাগ ও আদর্শ: শিক্ষকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনীতিতেও তিনি একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, অবিভক্ত বীরতারা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হিসেবে দলের চরম দুঃসময়েও তিনি নেতাকর্মীদের শক্ত হাতে আগলে রেখেছেন।
তৃণমূলের আস্থার প্রতীক: জনবান্ধব আচরণ, সততা, ন্যায়নিষ্ঠা এবং যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে তিনি বীরতারা ইউনিয়নের আমজনতার অত্যন্ত প্রিয় মানুষ হয়ে উঠেছেন। এলাকার যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক সংকট কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই এই মানুষটিকে তাদের পাশে পান।
স্থানীয় ভোটাররা মনে করেন, পেশিশক্তি ও দুর্নীতির এই যুগে বীরতারা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে প্রধান শিক্ষক মো. আশরাফ হোসেনের মতো একজন ক্লিন ইমেজের মানুষের বিকল্প নেই।
চেয়ারম্যান পদের বিষয়ে সাধারণ মানুষের এই বিপুল সমর্থন ও ভালোবাসায় সিক্ত মো. আশরাফ হোসেন বলেন, "আমার জীবনটাই মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। বীরতারা ইউনিয়নবাসী চাইলে আমি আমার বাকি জীবন এই ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের সেবায় উৎসর্গ করতে চাই।"
