ভারতের উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তজুড়ে চীন ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, দুই প্রতিবেশী পরমাণু শক্তিধর দেশের সমান্তরাল পদক্ষেপ ভারতের জন্য কৌশলগত চাপ বাড়াতে পারে।বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ব্যবস্থাপনায় সেনাবাহিনীর প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিক ও স্পষ্ট কোনো নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে ভারত-চীন সীমান্তের লাদাখ ও অরুণাচল প্রদেশসংলগ্ন এলাকায় চীনের জে-২০ (J-20) স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েনের তথ্য সামনে এসেছে। এসব যুদ্ধবিমান চীনের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত এবং আঞ্চলিক সামরিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, একই সময়ে চীন ও পাকিস্তানের এসব পদক্ষেপ কৌশলগত সমন্বয়ের ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে কোনো যৌথ পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।এদিকে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে ভারতের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় নতুন চাপ তৈরি হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের মত। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সরকারও আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে।