কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় সড়কসংলগ্ন পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক যুবককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে জব্দকৃত বালু প্রকাশ্য নিলামে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। গত রবিবার, ২৮ জুন, উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ‘সড়ক কাটা’ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন দিপু (২৬)। তিনি আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের খামার আন্ধারীঝাড় গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে। ঘটনার বিবরণ ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, দেলোয়ার হোসেন দিপু দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। এতে এলাকার একটি কালভার্টের মুখ ও পানি নিষ্কাশনের মূল পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয় এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দেয়। এছাড়া পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০–এর ১৫ ধারায় দিপুকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডিত ব্যক্তি তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। জব্দ বালু নিলামে বিক্রি অভিযান চলাকালে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ বালু ঘটনাস্থলেই উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। খামার আন্ধারীঝাড় গ্রামের বাসিন্দা মজনু মিয়া নগদ ২৫ হাজার টাকায় ওই বালু কিনে নেন। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর বার্তা এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমৃত দেব নাথ বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তো