যুদ্ধের কারণে তেল, জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
নিউজ ডেক্স:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।যুদ্ধের কারণে তেল, জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে:
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলসহ জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কথা বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, “এখন একটা বড় সংকট দেখা দিয়েছে। তেল নাই। যুদ্ধ লাগছে আপনার ওই যে ইরান আর ইসরায়েল-আমেরিকা। এজন্য তেলের সাপ্লাই কম৷ এ কারণে আমাদের সামনের দিনগুলো খুব ভালো সময় না ভাই, সামনের দিনগুলো একটা কঠিন সময়।
এই যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করতেছে। আমাদের তেলের দাম বাড়বে, আমাদের জিনিসপত্রের দাম বাড়বে। সেগুলোকে সয়ে (সহ্য) নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিন মাসের মধ্যে এক কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার নেহা নদী পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হবে।
এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, “আমরা যে কথা বলি, তারেক রহমান যে কথা বলেন, সেটা আমরা কাজ করে দেখাই। ওই যে কিছু সংখ্যক নেতা বের হইছে না- বেহেশতে যাওয়ার টিকিট দিচ্ছে! বেহেশত তো দিতে পারল না। এবার, আমরা আমাদের কাজ দিয়ে ইনশাআল্লাহ বেহেশতে যাব। আমরা আমাদের কাজ দিয়ে, ইবাদত করে ইনশাআল্লাহ বেহেশতে যাওয়ার ব্যবস্থা করব।একটা জিনিস মনে রাখবেন, ধর্মটাকে বিক্রি করে কিছু করা যায় না। ধর্মটা মানুষের অন্তরের ব্যাপার। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের ৯৫ ভাগ মানুষ ধার্মিক। ধর্মটাকে তারা ভালোবাসে, সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। এটা মনে রাখতে হবে আমাদের।মির্জা ফখরুল বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা আমাদের অনেক সাহায্য করছে, অনেক ভোট দিছে। তাদের সঙ্গে আপনারা ‘ভাই ভাই’ সম্পর্ক নিয়ে এগিয়ে যাবেন। একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করবেন আপনারা। বাংলাদেশের আত্মাটা ওই জায়গায়। এখানে ধর্মে ধর্মে বিভক্তি নেই, এটাই আমার আত্মা। এটা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এটা আমরা ভাঙতে দিতে চাই না। বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে দলের মহাসচিব বলেন, “বিএনপির নেতারা যেন ঠিক রাস্তায় চলে, একবারে রাস্তা সোজা হতে হবে। মুই কিন্তু রাডার ফিড কইচ্ছু, এই রাডার ঘুরেছে সবঠে। কায় কী করেছেন মুই সব দেখিবা পাছু। পরিষ্কার বলতেছি ভাই, একটু ভুল পাব, ক্ষমা করব না পরিষ্কার কথা। নেতৃত্ব যাবে, আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
আরও উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।