ডিজাইন: ইমেজ বন্ধ
শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

মহাসড়কে বাস যাত্রীদের দুর্ভোগ


প্রতিবেদনে টিম 

সময়ের সাথে প্রতিদিন।

পরিচালনায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি :- এ আর মিলন। ডিসেম্বর মাস স্বাধীনতার মাস। হাজারো সাধারণ জনতার মুখের ভাষা আমরা কি আজও স্বাধীনতা পেয়েছি? যে স্বাধীনতার জন্য হাজারো বাঙ্গালী তাদের প্রাণ দিয়ে ইজ্জত দিয়ে রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন করেছে এই দেশ। আমরা কি দেশে আজও স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারি , পথ চলতে পারি? এই সকল কথার সঠিক উত্তর খুঁজে বের করার জন্য মাঠে ছড়িয়ে পড়ে সময়ের সাথে প্রতিদিনের একটি টিম।সময়ের সাথে প্রতিদিন টিম নেত্রকোনা থেকে ঢাকা গামী একটি বাসে উঠে বসে। বাসটি সোহাগ পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব = ১৪-৫১৭৫)। এই বাসের স্টাফদের আচরণে কথাবার্তা হতভাগ হয়ে গেলেন সময়ের সাথে প্রতিদিনের টিম।সত্যিই তো এই দেশে স্বাধীনতা নামের একটি শব্দ আছে। কিন্তু তার কোন ব্যবহার নেই আছে শুধু অনৈতিকতা যারা আইনের কোন তোয়াক্কা করে না।সোহাগ পরিবহন বাসটিতে সময়ের প্রতিনিধি টিম যা দেখল তা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন এবং তাদের সাথে জিম্মি স্বরূপ আচরণ প্রয়োগ করে সোহাগ পরিবহনের দুই সহকর্মী তাদের সাথে শোভা মেলাচ্ছেন সোহাগ পরিবহন এর ড্রাইভার।এই সমস্ত মাঠ পর্যায়ে যদি বিবেচনা করা যায় তাহলে দেখা যাবে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও আমরা স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারি না চলতে পারি না কথা বলতে পারি না। এ কেমন স্বাধীনতা ? যার জন্য হাজারো বাঙালি তাদের রক্ত দিয়ে ইজ্জত দিয়ে পাকিস্তানের হানাদারের কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছিল আমাদের এই বাংলাদেশ।

আমাদের দেশের প্রত্যেকটা সেক্টরে রয়েছে এরকম অনৈতিক কর্মকাণ্ড। রাজনৈতিক সরকারি অফিস,আদালত, বেসরকারি অফিস, রাস্তাঘাট, সমাজ জীবনেও এর প্রভাব দেখা দিচ্ছে বিরাট আকারে ধীরে ধীরে।স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি পারলো না দেশ থেকে অন্যায় ও দুর্নীতি জঙ্গিবাদ সমূলে শেষ করতে। বর্তমান সময়ের উপর দাঁড়িয়ে সাধারণ জনগণের একটাই প্রত্যাশা একটাই প্রশ্ন?১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি (ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস) এরপর থেকে কখনো আমরা সাধারণ জনগণ শান্তিতে স্বাধীনভাবে চলতে পারেনি যেদিকেই চোখ তুলে তাকিয়েছে সেদিকেই শুধু দেখি অন্যায় অত্যাচার স্বাধীনতার যুদ্ধে যারা এখনো জীবিত আছেন তাদের চোখে মুখে দুঃখের ছায়া আর হতাশা। বিগত ৫৪ বছরে দুটি সরকার বারবার দেশ শাসন করেছে কোন সরকারি পারেনি বীর মুক্তিযোদ্ধার রঙিন স্বপ্নগুলি রঙিন করে সাজিয়ে রাখতে। ১৯৭১ সালের সেই মুক্তিযোদ্ধারা এবং বর্তমান সময়ের সকল স্তরের জনগণের মনের একটি প্রত্যাশা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট: 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' ।এই নতুন বাংলাদেশের আবার যে প্রধানমন্ত্রী হয়ে আসবে সে কি পারবে সেই মুক্তিবাহিনীর এবং শহীদেরা যে স্বপ্ন নিয়ে এই দেশকে পাক হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছে তাদের সেই রঙিন স্বপ্নগুলি নতুন সরকার পূরণ করতে পারবে? বীর মুক্তিযোদ্ধারা আরো বলেন আমরা অস্ত্র নিয়েছিলাম দেশ থেকে সন্ত্রাস এবং রাজাকার পাক হানাদার বাহিনীকে আমাদের এই বাংলাদেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে এই দেশের একমাত্র মালিক আমরা বাঙালিরা থাকবো। এ দেশে থাকবে না কোন অন্যায় অত্যাচার ,এখানে মিলেমিশে থাকবে সকলে ভাই বোন হিসেবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা যা দেখছি তাতে আমরা খুবই বিষন্ন। কাদের জন্য এই দেশ স্বাধীন করেছি আমরা।আমরা এই বাংলার বুক থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে গুলি বোমা এবং বুদ্ধি দিয়ে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু আফসোস এই দেশ থেকে তাদের রেখে যাওয়া প্রত্যেকটা পদক্ষেপ বাংলার মাটি থেকে মুছে ফেলতে পারিনি।সেই পদক্ষেপ আজ মাথা ঝাড়া দিয়ে দাঁড়িয়ে উঠেছে প্রত্যেকটা মানুষের রক্তের শিরায় শিরায়।