ডিজাইন: ইমেজ চালু
শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৈনিক সময়কাল

ভারতে প্রায় ৩৩মাস কারাভোগের পর কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন তিন বাংলাদেশী।


অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতে আটক হওয়ার পর দীর্ঘ কারাভোগ শেষে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছেন তিন বাংলাদেশি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে বিএসএফ ও বিজিবির যৌথ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সোনাহাট বিওপির বিজিবি সদস্যদের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। বিজিবি পরবর্তীতে তাদের ভূরুঙ্গামারী থানায় সোপর্দ করে। ফেরত আসা ব্যক্তিরা হলেন- ১। মোঃ আব্দুল জলিল (২৯), পিতা- মৃত আব্দুর রহমান, সোভারকুটি, কচাকাটা, (কারাভোগঃ ৩৩ মাস)। ২। মোঃ মোজাফফর হোসেন (২২), পিতা- মোঃ হাফেজ উদ্দিন, সোভারকুটি, কচাকাটা, (কারাভোগঃ ৩৩ মাস)। ৩। মোছাঃ শারমীন বেগম (২৫), পিতা- মৃত নুর আহম্মদ, গোলাপবাগ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা, (কারাভোগঃ ২৮ মাস)। উপজেলার বঙ্গসোনাহাট সীমান্তের মেইন পিলার-১০০৯ এর কাছে বিএসএফ ও বিজিবির সমন্বয়ে আনুষ্ঠানিক পতাকা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, আসাম পুলিশ অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছিল। সাজা শেষ হওয়ায় নিয়মিত হস্তান্তরের মাধ্যমে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। ভূরুঙ্গামারী থানা কর্তৃপক্ষ (জিডি নং-৮৪৬) পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করার পর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরবর্তীতে জিম্মানামা অনুযায়ী আব্দুল জলিলকে গ্রহণ করেন তার চাচা মোহাম্মদ আলী, মোজাফফর হোসেনকে গ্রহণ করেন তার বড় ভাই মোঃ রুহুল আমিন এবং শারমীন বেগমকে গ্রহণ করেন তার দেবর ইমন আহমেদ। ফেরত আসা মোজাফফর হোসেন জানান, নদীতে মাছ ধরার সময় ঘন কুয়াশার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে তাঁরা ভারতীয় সীমানায় ঢুকে পড়েন। ভারতীয় সীমান্তে আটকের পর বা ভারতে ৩৩ মাসের জেলজীবনে বিএসএফ বা কারা কর্তৃপক্ষ তাদের ওপর কোনো শারীরিক নির্যাতন চালায়নি। ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, বিজিবির সোপর্দ করার পর নিখুঁতভাবে স্বজনদের পরিচয় যাচাই শেষেই তাদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।